Notice: No notices available at the moment.
  • EIIN: 114757

“বাগেরহাট বহুমুখী কলেজিয়েট স্কুল”- এর ইতিহাস

ইতিহাস

১৮৫৭-৫৮ সিপাহী বিদ্রোহের বদৌলতে  শাসক ইংরেজ সরকার উপলব্ধি করেছিলেন যে এই জাতিসত্তাকে দীর্ঘদিন শাসন করতে হলে তাদের ভাষা ও সাহিত্যের সাথে ইংরেজি সাহিত্যের মেলবন্ধন তৈরি করে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ যোগাযোগ স্থাপন করতে হবে। তাই ইংরেজি শিক্ষাকে গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করলেন তারা। তখনো ভৈরব নদ তীরবর্তী প্রাচীন ঐতিহাসিক নগরী খলিফাতাবাদের বাগেরহাট একটি শহর হয়ে ওঠেনি, বিরাট কোন গঞ্জও তখন বাগেরহাট নয়। একটি থানার কেবল পত্তন হয়েছে বাগেরহাটে। রাস্তা ঘাট ছিল কাঁচা। ১৮৬৩ সালে ব্রিটিশ সরকার বাগেরহাট কে মহকুমা ঘোষণা করলেন। তখন এতদঅঞ্চলে কোন নামকরা প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল না। মহকুমার যে সকল কর্মকর্তারা দায়িত্বে থাকবেন তাদের সন্তানেরা পড়াশোনা করবে কোথায়, এ উপলব্ধি থেকেই ১৮৬২ সালেই বর্তমান “বাগেরহাট বহুমুখী কলেজিয়েট স্কুল” প্রাঙ্গণে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বাগেরহাটের প্রথম মহকুমা প্রশাসক হয়ে এলেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বন্ধু সু সাহিত্যিক বাবু গৌর দাস বসাক। তারই চেষ্টায় এবং স্থানীয় জমিদার গণের সহায়তায় প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ক্রমে ক্রমে উন্নতির পথে অগ্রসর হয়ে কয়েক বছরের মধ্যেই একটি মধ্য ইংরেজি বিদ্যালয়ে উন্নীত হয়। এর ও অনেক পরে বাবু রামচরণ বসু এলেন বাগেরহাটের মহকুমা প্রশাসক রূপে। তারই প্রচেষ্টায় এবং স্থানীয় জমিদার গণের অর্থানুকূল্যে ১৮৭৮ সালে মধ্য ইংরেজি বিদ্যালয়টি রূপান্তরিত হলো একটি উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এর স্বীকৃতি আসে ১৮৭৮ সালের ১৩ই জুন। প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে আজও ১৩ জুনকেই স্মরণ করা হয়। উল্লেখ্য তখনকার দিনে এন্ট্রান্স তথা বর্তমান এসএসসি পরীক্ষার সেন্টার ছিল কলকাতা।এ বিদ্যালয়ের ১ম বর্ষের পাশকরা ছাত্রদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বৈটপুর নিবাসী স্বর্গীয় সতীশচন্দ্র গুহ। ২য় বর্ষের এন্ট্রান্স পাশ করা ছাত্রদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন স্বর্গীয় চারুচন্দ্র নাগ (এম.এ.বি. এল)। তিনি ছিলেন বাগেরহাটের এককালের প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা: অরুন চন্দ্র নাগের পিতা এবং সুপ্রসিদ্ধ নাগ বংশীয় জমিদার পরিবারের সন্তান।স্বীকৃতি প্রাপ্ত ইংরেজি উচ্চ বিদ্যালয়টিতে প্রথমে একটি গোল পাতার ঘরে শ্রেণিকার্যক্রম চলছিল। পরবর্তীতে ১৮৮৫ সালে তদানীন্তন মহকুমা প্রশাসক বাবু নরেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী মহোদয়ের চেষ্টায় স্থানীয় সহৃদয় ব্যক্তিগণের সহায়তায় ৮০০০/- টাকা ব্যয়ে উক্ত গোল পাতার ঘরটির স্থলে একটি সুন্দর ইমারত নির্মিত হয়। ভারতীয় মহাদেশের তদানীন্তন ভাইসরয় ও গভর্নর জেনারেল লর্ড রিপনের নাম অনুসারে এ ভবনটির নাম রাখা হয় "রিপন হল "। তবে এ ঐতিহ্যবাহী ভবনটি এখন আর নেই। ১৯৮৭ সালে ভবনটি ভেঙ্গে ফেলা হয়েছিল।পরবর্তীতে এই ভবনের স্থলে একটি ০১ (এক) তলা ভবন নির্মিত হয় যেখানে বর্তমানে প্রাথমিক শাখা (১ম-৫ম) শ্রেণি পরিচালিত হচ্ছে। 

উত্তর দিকের পূর্ব প্রান্তের প্রাচীন ইমারতটি দশানির জমিদার বাবু যদুনাথ বিশ্বাস মহাশয়ের এককালীন দান ৩৫,০০/- (তিন হাজার পাঁচশত) টাকায় ১৮৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ভবনটির গায়ে শ্বেত পাথরে খোদিত ছিল -

ERECTED IN COMMEMORATION OF
BABU SRINATH BISWAS
BY HIS SON 
JADUNATH BISWAS
AND NEPHEWS
C.N. BISWAS & S.N. BISWAS
IN 1898 A.D.
B.S 1305, BOISAKA

পরবর্তীতে ১৯১২ সালে দশানির জমিদার বাবু চন্দ্রকান্ত দাস মহাশয় এর এককালীন ৫০০০ টাকা আর্থিক দানে উত্তর পশ্চিম দিকে নির্মিত হয় আরো একটি দ্বিতল ভবন, যা কিনা চন্দ্র কান্ত দাসের পরমাধ্যা জননী দূগামনির দাসীর নামে উৎসগ করা হয়। এর উদ্বোধন করেন খুলনার তদানীন্তন ডি.এম. বাডলি বাথ। দেয়ালে খোদিত হয়।
G. BARDLEY BIRTH
B.A ICS
COLLECTOR, KHULNA
1912

উক্ত ভবনটি উত্তর-পূর্ব দিকের ১৮৯৮ সালে পূর্বে স্থাপিত ভবনটির সাথে সংযুক্ত ছিল। বর্তমানে এই উত্তর পাশ্বস্ত ভবন দুটি ব্যবহার অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারণে উক্ত ভবন দুটির স্থলে ২০২৫ সালের নির্মিত হয়েছে একটি দৃষ্টিনন্দন ও সুউচ্চ ৪তলা একাডেমিক ভবন। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনীর বর্বরতায় প্রতিষ্ঠানের অনেক নথি ও পুরানো কাগজ পত্রের অপূরনীয় ক্ষয়ক্ষতি হয়, যা কিনা কখনই পূরণ হবার নয়। মহাকালের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে রয়েছে দক্ষিণ দিকের বিরাট দ্বিতল ভবনটি। যা কিনা বাসাবাটির জমিদার বাবু শুকলাল মজুমদার ও তার অংশীদারগণ ১২,০০০/- টাকা ব্যয় নির্মাণ করে দিয়েছিলেন ১৯১২ সালে। উক্ত ভবনটির পশ্চিমে রয়েছে ২০০৫ সালে নির্মিত একটি তিনতলা ভবন। যার নিচ তলায় শিক্ষক মিলনায়তন, আধুনিক সুসজ্জিত কম্পিউটার ল্যাব, সমৃদ্ধ পাঠাগার এবং দোতলা ও তিন তলায় কলেজ শাখার শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এক কথায় বর্তমানে চারতলা, তিন তলা ও দ্বিতল তিনটি একাডেমিক এবং একতলা বিশিষ্ট প্রাইমারি শাখা ভবন ইউ আকৃতিতে সুবিন্যস্ত সবুজ মাঠকে ঘিরে রেখেছে। প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে রয়েছে অধ্যক্ষ মহোদয়ের জন্য একটি একতলা বিশিষ্ট বাসভবন। তবে বতমানে এটির সংস্কার প্রয়োজন। পরবর্তীকালে খাঁন বাহাদুর, সৈয়দ সুলতান আলী, সৈয়দ আমির আলী, সৈয়দ সাখাওয়াত আলী, কাজী নোয়াব উদ্দিন প্রমুখ ব্যক্তিবর্গের সাহায্যে বিদ্যালয়টি ধন্য হয়। যারা জমিদান করেছেন তাদের মধ্যে প্রয়াত রাজেন্দ্র কুমার নাথ, সি.কে নাথ, মথুরা নাথ দাস, তোরফান সরদার, নোয়াব আলী সরদার সহ অন্যান্য সুহৃদয় দাতাগণের প্রতি প্রতিষ্ঠানটি চিরকৃতজ্ঞ।

প্রতিষ্ঠানটি ১৯৭৮ সালে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে শততম বার্ষীকি পালন করে। কালের বিবর্তনে বাগেরহাট উচ্চ বিদ্যালয়, বাগেরহাট স্কুল, টাউন স্কুল সহ নানা নামে ভৈরব তীরবর্তী জনপদকে আলোকবর্তিকা হিসাবে প্রতিষ্ঠানটি দ্যুতি ছড়িয়ে দিয়েছে। অবশেষে ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠানটি কলেজ শাখায় একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পাঠদানের অনুমতি প্রাপ্তির মাধ্যমে ‘বাগেরহাট বহুমুখী কলেজিয়েট স্কুল’-এ উন্নীত হয়। ২০২৩ সালের ১২ জানুয়ারী এমপিও ভুক্তির মাধ্যমে কলেজ শাখা বেতন বৈষম্যের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়, যা প্রতিষ্ঠানটিকে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও যুগোপযোগী পাঠদানের সামর্থ দিয়েছে। বিগত ১৪৮ বছরের পথচলায় এই বিদ্যাপীঠটি অসংখ্য কৃতবিদ্য মানুষ সৃষ্টি করেছে। শিক্ষক, ডাক্তার, সচিব, বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, সাহিত্যিক ও উচ্চ পদস্থ সরকারী কর্মকর্তা প্রভৃতি সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে শত শত প্রসিদ্ধ ব্যক্তিকে সৃষ্টি করেছে এই বিদ্যালয়। আধুনিক বাগেরহাটের যারা স্রষ্টা অর্থাৎ মরহুম সৈয়দ মোস্তাগাওছল হক (প্রাক্তন রাজস্ব কর্মকর্তা), আলহাজ্ব ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন (বাগেরহাট পৌরসভার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও প্রাক্তন এম.এল.এ), ডঃ কাজী হেবাব উদ্দীন, ডঃ মশিউর রহমান (সি. এস.পি), মি: আনিসুজ্জামান (সি.এস.পি), স্বর্গীয় কবি ভূপেশ চন্দ্র আইচ, অবসরপ্রাপ্ত প্রাক্তন ভারতীয় স্বনামধন্য ডাঃ জ্ঞান চন্দ্র মন্ডল, বাবু ব্যোমকেশ বসু (অলিম্পিকে ভারতীয় ফুটবল দলের সাবেক ক্যাপ্টেন), ডাঃ চৌধুরী হাফিজুল আহসান (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত স্বনামধন্য হার্ট স্পেশালিষ্ট, ডাঃ রফিকুস সালেহীন (ভি.সি, খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়), ব্রিগেডিয়ার সুভাস চন্দ্র(অবসর প্রাপ্ত), ডা: হুমায়ুন কবির (প্রাক্তন শিক্ষার্থী) যার স্মরণে তার কন্যা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী লুবনা কবির অত্র প্রতিষ্ঠানে একটি সমৃদ্ধ কম্পিউটার ল্যাব ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করেন।

জমির পরিমান: প্রায় ৩.২০ একর

সময়সূচিঃ বিদ্যালয়টিতে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শাখা রয়েছে। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত শ্রেণি কার্যক্রম চলে।

শিক্ষার্থীর সংখ্যা : বর্তমানে ছাত্র-ছাত্রী মিলিয়ে অত্র প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১২০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত।

শিক্ষক কমচারীর সংখ্যা :


০১. অধ্যক্ষ ০১ জন
০২. সহকারী প্রধান শিক্ষক ০১ জন
০৩. প্রভাষক ১৫ জন
০৪. সহকারী শিক্ষক ১৪ জন
০৫. প্রদর্শক ০১ জন
০৬. খন্ডকালীন শিক্ষক ০৩ জন
০৭. অফিস সহকারী        ০২ জন
০৮. এম এল এস এস ০৩ জন
০৯. নৈশ প্রহরী ০১ জন
১০. খন্ডকালীন আয়া ০২ জন
     মোট = ৪৩ জন

শিক্ষার্থীদের পোশাক: 
স্কুল শাখা (১ম থেকে ১০ম শ্রেণি)
বালক: নেভি ব্লু প্যান্ট, পেস্ট কালারের সোল্ডার দেওয়া শার্ট, বাম পকেটে নির্ধারিত লোগো এবং সাদা পিটি কেডস।
বালিকা: পেস্ট কালারের সোল্ডার দেওয়া কামিজ, বাম হাতে প্রাতিষ্ঠানিক লোগো, পায়ে সাদা পিটি কেডস।

কলেজ শাখা (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি) 
বালক: নেভি ব্লু প্যান্ট, সাদা ফুল শার্ট (সোল্ডার দেওয়া), বাম পকেটে প্রাতিষ্ঠানিক লোগো, পায়ে সাদা পিটি কেডস।
বালিকা:- সাদা সালোয়ার কামিজ, বাম হাতে প্রাতিষ্ঠানিক লোগো, পায়ে সাদা পিটি কেডস।

স্কাউট, রেডক্রিসেন্ট ও গার্লস গাইড:
শৃঙ্খলাবিহীন শিক্ষা কখনো জাতীকে উন্নত করতে পারে না। তাই কোমলমতি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেডক্রিসেন্ট এর মতো কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করানো হয়।

বিতর্ক দল:
প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশ ও নেতৃত্ব বিকাশে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অপরিহার্য। শিক্ষার্থীরা স্থানীয়, আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে অংশ গ্রহণ করে বহুবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে, যা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক সহ ও অভিভাবকদের সম্মান বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। 

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি শরীরচর্চা প্রয়োজন। সুস্থ দেহে সুস্থ মন বিরাজ করে। প্রতিষ্ঠানে সুপরিসর খেলার মাঠ রয়েছে। বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সারা বছর শিক্ষার্থীরা এই মাঠে খেলাধুলা করে। প্রতিষ্ঠান বহুবার ফুটবল, ক্রিকেট ও ব্যডমিন্টনসহ নানা ক্রীড়ায় স্থানীয়, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে পুরষ্কৃত হয়েছে। 

এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও জাতীয় দিবস সমূহ যথাযথ ভাবগাম্ভির্যের সাথে পালন করে থাকে।

অভ্যন্তরীন মেধাবৃত্তি:
প্রতিবছর ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে হতে ৯ম শ্রেনিতে ১ম স্থান অধিকারীদের জন্য চালু রয়েছে ড. খুরশিদ আলম মেধাবৃত্তি। রয়েছে ১ম থেকে ১০ শ্রেণির গরীব, সেরা মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য আমজুয়ারা খাতুন শিক্ষা কল্যান তহবিল, কাজী সুফিয়া হোসেন শিক্ষা কল্যাণ তহবিল ও মোঃ শাহজাহান আলী শিক্ষা কল্যান তহবিল প্রভৃতি।

পরিশেষে “বাগেরহাট বহুমুখী কলেজিয়েট স্কুল” এ শতায়ু বহুমুখী প্রতিষ্ঠান অমর হোক, নির্মল হোক তোমার পরিবেশ, নিরলস হোক তোমার জ্ঞান সাধনা, তোমার গোড়ার অন্ধকার হোক বিদূরিত। তুমি আরও প্রদ্দীপ্ত হও, আরও প্রজ্জলিত হও। শিক্ষা নিকেতন হতে তুমি রূপান্তরিত হও শান্তি নিকেতনে। 

[ তথ্য সূত্র: ০১. ১৯৭৮ সালে প্রকাশিত প্রতিষ্ঠানের শতবার্ষিকী স্বরনীকা ]
[ তথ্য সূত্র: ০২. শ্রী নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত বি. এল: বাগেরহাটের কথা, বাগেরহাট সম্মিলনী, স্মারক গ্রন্থ, সাধনা প্রেস প্রাইভেট লিমিটেড, ৭৬ বিপিন বিহারী গাঙ্গুলী ১৫, কলকাতা, ১২, ১৯৭৫, পৃষ্ঠা-৭৫।]